Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৩ পৌষ ১৪২১ শুক্রবার ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
জোর করে পণ্য পরিষেবা কর চাপাচ্ছে কেন্দ্র, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী ।। অপারেশন সফল, তাঁর খবর মিলে যাচ্ছে--অরুন্ধতী মুখার্জি ।। শরিফের শপথই সার, মুক্ত মুম্বই হামলার চক্রী লকভি ।। সুদীপ্তর ‘ফেরারি’ ভারতে এসেও কীভাবে উধাও! জাল গোটাচ্ছে ই ডি ।। ৩ দিনে ৩ সংগঠনকে ৩ জায়গায় সভার অনুমোদন দেবে পুরসভা ।। ঘুরে দাঁড়াতে উত্তর ২৪ পরগনাকে মডেল করতে চায় সি পি এম ।। লগ্নি করলে আম্তরিক সাহায্য ত্রিপুরায়: জিতেন্দ্র ।। ধর্মাম্তর: রাজ্যসভা অচল চতুর্থ দিনেও ।। ভারতকে এগিয়ে রাখলেন অশ্বিন ।। কাল ফাইনালে কিন্তু সমানে সমানে লড়াই ।। আচার্যের হুঁশিয়ারি! ।। ইরাকে ১৫০ বন্দী মহিলার শিরশ্ছেদ!
কলকাতা

আচার্যের হুঁশিয়ারি!

৩ দিনে ৩ সংগঠনকে ৩ জায়গায় সভার অনুমোদন দেবে পুরসভা

ধর্মতলায় হকার সমাবেশ

কোরপান শা খুনে পুলিসের নজরে কয়েকজন ছাত্রনেতা

অভিজিতের গাড়ি ধাওয়া করে হুমকি?

তিন নরাধম!

ফের মেট্রোয় ঝাঁপ

আচার্যের হুঁশিয়ারি!

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



আজকালের প্রতিবেদন: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সমাবর্তন অনুষ্ঠান বয়কট নিয়ে কড়া অবস্হান নিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী৷‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তাঁর প্রস্তাব, বাড়িতে ডাকযোগে শংসাপত্র পাঠানোর পরও কেউ নিতে অস্বীকার করলে তার শংসাপত্রের পেছনে ‘বয়কট’ লেখা স্ট্যাম্প মারা হোক৷‌ উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আচার্যের নির্দেশ মানা অবশ্যকর্তব্য৷‌ তবে সব দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধাম্ত নেওয়া হবে৷‌ বৃহস্পতিবার কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যাদবপুরের সমাবর্তন ও পড়ুয়াদের তা বয়কট করার সিদ্ধাম্ত নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাজ্যপাল বলেন, যারা সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না, বয়কট করবে, তাদের বাড়িতে ডাক মারফত শংসাপত্র পাঠানো হবে৷‌ তাতেও যদি পড়ুয়ারা তা নিতে অস্বীকার করে, তখন তাদের শংসাপত্রের পেছনে ‘বয়কট’ লেখা স্ট্যাম্প মারা হবে৷‌ এটা আমার প্রস্তাব৷‌ প্রসঙ্গত, ১৬ সেপ্টেম্বরের ঘটনার প্রেক্ষিতে আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা জানিয়েছে, উপাচার্যের হাত থেকে তারা শংসাপত্র নেবে না এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠান বয়কট করবে৷‌ রাজ্যপালের এই বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে৷‌ আদৌ এটা করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই প্রশ্ন উঠছে৷‌ কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী এভাবে শংসাপত্রের পেছনে ছাপ মারার সুযোগ নেই৷‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটা অংশের বক্তব্য, রাজ্যপাল এটা বলে উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তীর পাশেই দাঁড়িয়েছেন৷‌ বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, এ বছর শংসাপত্র পাবেন, এমন পড়ুয়ার সংখ্যা ৪ হাজার৷‌ সমাবর্তনের দিন অনেকেই আসেন না৷‌ অনেকে নানা কারণে আসতে পারেন না৷‌ যাঁরা আসতে পারেন না, তাঁদের বাড়িতে শংসাপত্র ডাক মারফত পাঠানো হয়৷‌ এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্তব্যের মধ্যেও পড়ে৷‌ কারণ ডিগ্রিটি একজন পড়ুয়ার অর্জিত সম্মান৷‌ সেই অবস্হায় রাজ্যপালের এই বক্তব্য আদৌ কি মানা সম্ভব? আধিকারিকরা কোনও মম্তব্য করতে না চাইলেও উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেছেন, রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য৷‌ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সুপ্রিম অথরিটি’৷‌ তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী চলতে আমরা বাধ্য৷‌ এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন খতিয়ে দেখে সিদ্ধাম্ত নেওয়া হবে৷‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধাম্তকারী সংস্হা এগজিকিউটিভ কাউন্সিল (ই সি) সিদ্ধাম্ত নেবে৷‌ তবে রাজ্যপালের নির্দেশ মানতে বিশ্ববিদ্যালয় বাধ্য৷‌ সরাসরি না বললেও উপাচার্য কার্যত জানিয়েই দেন, যে পড়ুয়ারা বাড়িতে পাঠানোর পরও শংসাপত্র নেবে না, তাদের শংসাপত্রের পেছনে বয়কট স্ট্যাম্প লাগানোর ক্ষেত্রে তাঁর কোনও আপত্তি নেই৷‌ রাজ্যপালের বক্তব্য প্রসঙ্গে জুটার সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা গুপ্ত বলেন, উনি আইনজ্ঞ৷‌ আইন জেনেই বলেছেন৷‌ তবে আমরা আশা করিনি, উনি এই মত দেবেন৷‌ আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বক্তব্য, তাঁদের কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে৷‌ পড়ুয়ারা বলেছেন, রাতে ক্যাম্পাসে উপাচার্যের ডাকে পুলিস আসে এবং পড়ুয়াদের ওপর লাঠি চালায়, এই ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা উপাচার্যের হাত থেকে শংসাপত্র নেবেন না বলে জানিয়েছেন৷‌ এটা কখনই বলেননি যে, বাড়িতে ডাকযোগে শংসাপত্র পাঠানো হলে তা নেবেন না৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited